জীবনটা আমার মামা বাড়ি না

জীবন মানেই জীবিকার সন্ধান
মনের বাঁচা নয়, শরীর বাচানই যে মুখ্যমান।
জীবন যদি সত্যিই আমার মামা বাড়ি হত
তবে চাইতাম একটি জিনিস অবিরত।
সে চাওয়া কি খুব বড় চাওয়া?
নাম তার বন্ধুত্ব।

একই সাথে একই ঘরে খেলেছি কত খেলা
কে জানত? একদিন সত্যিই ঘরে ফিরে যেতে হবে শেষবেলা!
মাগরিবের আযান হয়েছে, তোরা সব ঘরে ফিরে আয়,
এখন না হয় একটু পড়তে বস,
কাল যে যেতে হবে আবার বিকেল বেলায়।

কিন্তু সেই যে একদিন ঘরে ফিরল সবাই
বেরোল না পরের দিন,
আসলেই জীবনটা যে আমার মামা বাড়ি নয়
এ যে জীবিকা সন্ধানের দ্বীন।

একদিন এমন এক সময় এল,
কেউ চায় না আর এক হতে
কেউ চলেছে নিজের মত
কেউ ভুলেছে সবটাকে।

সময় আরও পাড় হল যখন
একেকজন মস্ত বড় মানুষ তখন।
টাকা আছে কাড়িকাড়ি
আর যে আছে আলিশান ফ্ল্যাট আর মস্ত বড় গাড়ি।

আরও যখন সময় পেড়িয়ে গেল,
ঘনিয়ে এলো মৃত্যু,
তবুও কেন মন খারাপ লাগছে!
ও আচ্ছা! পাইনি যে বন্ধু।
বন্ধুকে ছেড়ে, মোড়ের আড্ডা ছেড়ে,
দিয়েছিলাম যে পাড়ি।
কি আর করা জীবনটা যে নয় কারও মামা বাড়ি।

তবুও
শেষ নিঃশ্বাস গুণতে চাই, তোদেরকে সাথে নিয়ে
তোরা আসিস একবার,
ছুঁয়ে দিস একবার
সেই ছোট্টোবেলার ভালোবাসা দিয়ে।

অধরা

নিজেকে নিজে প্রশ্ন করছি একদিন
সে কি আমার দিকে তাকিয়েছে সেদিন?
না, তাকায়নি।
কিন্ত আমি?
আমি যে তাকিয়েছিলাম অপলক দৃষ্টিতে
ভাবছিলাম যদি দেখা হয় ,
কখনো মেঘ কখনো বৃষ্টিতে।
বিশ্বাস আমি করি না প্রথম দেখায় ভালোবাসায়
তবুও বিশ্বাস করো, বসে যে আছি অনেক আশায়।
আচ্ছা, ভালোবাসা কি সত্যিই এমন হয়?
নাকি এসবই মুখোষময়
সত্য কথা কি জানো?
সে তো তোমার জীবনের সেই হাজার ব্যার্থতার একটি
হাজার স্বপ্নের একটি
যা কখনো বাস্তবতায় রূপ নেয়নি, না নিয়েছে সার্থকতায়
সে তো তোমার ব্যার্থ জীবনের আরেকটি অধরা অধ্যায়।

Gotham

My friends stop me to share anything on Facebook against a democratic government. What democracy means we all know. We all know how it works. Still my maa says not to share or say anything about the government. Because they might kill you. You maybe killed for talking for your democratic right. A boy from my own batch died. Government killed him by it’s own hand. Why? Because he talked about his country. They beat him till death. I don’t know if anyone going to read this. But if next day I die, this writing will be a proof how the situation is. Hitler is back. I say HITLER is back. This Nazi is named BCL- Bangladesh Chatro League. Kill Abrar, kill me, kill hundreds like us. More thousands will come and will fight. Revolution never comes in a short time or a tiny incident. Kill more of us. You will see the revolution. Your parents will cry saying why they didn’t kill you after your birth. Just wait. In this Gotham , Batman will arise. In this Gotham all must be punished. Don’t know when or how or by whom but time is will come. War has begun.

নতুন

সূর্যের রশ্মি আসতে বড় দেরি করে ফেলে প্রতিদিন
দেখায় শুধু অতীতকে,
আমি বর্তমানে করতে চাই নিজেকে বিলীন
তাও ভবিষ্যত খুঁজি তার অক্ষিতে।
আমি কাকের কর্কশ শব্দ শুনি
দেখি, রিকশার প্যাডেলের সন্ধি,
একেকটি করে দিন গুনি
নিজের জেলখানায় আজ বন্দি।
আমি সেই খোদার কাছে প্রার্থনা করি
যে বানিয়েছে তার দুটি হাত
প্রতিদিন সেই অতীতেই মরি,
মন কি রয়েই যাবে ইস্পাত।
আমি ঠান্ডা রাস্তায় উষ্ণ হাতের স্পর্শ পেতে চাই
আমি সেই হাত ছুঁতে চাই
কিন্তু মন ভীত হয়ে প্রশ্ন করে,
সে কি পেরেছে দিতে অতীতকে বিদায়?

Waiting for the doomsday

আমি সেই দিনটার জন্য অপেক্ষা করছি, যেদিন ছাত্রলীগের ছেলেপুলে ঘরে ঘরে যখন ইচ্ছা তখন মেয়েদের ধরে নিয়ে যাবে, রেইপ করবে। কাউন্সিলর অফিস, থানা একেকটা হবে হয় ১৮-২০ বছরের ছেলেদের ধরে মেরে ফেলা লাশের কারখানা।
সব জায়গায় তখন ছাত্রলীগের জয়জয়কার। পুরো বাংলাদেশ তখন তাদের। যেই ছেলে বরিশালে ছিল, এখন ঢাকায় এসে রাজনীতি করে, সে জানতে পারবে বরিশালের অমুক ওয়ার্ডের তমুক ভাই তার বোনকে রেইপ করলো।
অথবা জানবে চায়ের দোকানে বসা নিয়ে তার স্কুলপড়ুয়া ছোট ভাইকে মেরে ফেললো। তখন ঐ ছেলে বলবে এটা অন্য কোনো বিরোধী দলের পোলাপাইন করসে। তাই সে শোধ নেওয়ার জন্য ঢাকায় আরও দুইটা খুন অথবা রেইপ করলো।
আবার আমি আরও চাই, যেনো বাইরের মিডিয়া জানবে যে দেশ খুব ভালো চলতেসে।
সোশাল মিডয়ায় পোস্ট হবে, আমাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক ইন্ডিয়ার সাথে কত ভালো। আমাদের প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের জায়গা দিসেন তাই তিনি কত ভালো। আমাদের রাষ্ট্রপতি যে অশিক্ষিত সেটা তিনি প্রতি ভার্সিটিতে এসে বলবে আর ছাত্রলীগ এটাকে গ্লোরিফাই করবে।
এর মধ্যে আরেকটা দল থাকবে যা এখনও আছে, তারা সহমত ভাই।
তাদের ওয়ালে প্রতিবছর একটা পার্টিকুলার সময়ে একটা পোস্ট দেখা যাবে “ছাত্রলীগের অমুক সংঘটন ভর্তিচ্ছু ছাত্রদের হেল্প করে মানবতার পরিচয় দিসেন।”
এগুলা যখন চলতে থাকবে তখন একদল উঠে আসবে, যারা বিরোধিতা করবে। কিন্তু তাদেরকে মেরে ফেলা হবে। তারপর আবার কয়েক বছর রেইপ, খুন, ডাকাতি চলতে থাকবে।
তারপর আবার হবে, কেউ আবার আওয়াজ তুলবে। তখন একটা রেজাল্ট আশা করা যায়।
একটা সামান্য ছাত্র খুন হইসে বলে আমার রক্ত আর গরম হয় না। হইলে ঐ কোটা আর সড়ক আন্দোলনের সময়ের পর থেকেই দেশ বদলায় যাইতো।
এত ছোট জিনিসে চলবে না।
আমি চাই তারা পুরা দেশটা নিজের করে ফেলুক।
নর্থ কোরিয়া হয়ে যাক। এর চেয়েও বাজে হোক।
তাহলে একটা অ্যাকশন দেখা যাবে।